• ঢাকা
  • বৃহঃস্পতিবার , ২০ জুন ২০২৪ , রাত ০৮:২৩
ব্রেকিং নিউজ
হোম / জাতীয়

সিয়ামকে জেরার ভিত্তিতে অভিযান, বাগজোলা খাল থেকে উদ্ধার হাড়গোড় কি বাংলাদেশের সাংসদের?

রিপোর্টার : নিজস্ব প্রতিবেদক :

৬৪ বার দেখা হয়েছে ।

সিয়ামকে জেরার ভিত্তিতে অভিযান, বাগজোলা খাল থেকে উদ্ধার হাড়গোড় কি বাংলাদেশের সাংসদের? ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ

রবিবার সকালে সিয়ামকে নিয়ে ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি এলাকা দিয়ে বয়ে চলা বাগজোলা খালে নামেন সিআইডির আধিকারিকেরা। সূত্রের খবর, সেখানেই একটি ঝোপের পাশে উদ্ধার হয় বেশ কিছু হাড়গোড়।

বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম খুনের ঘটনায় ধৃত মহম্মদ সিয়াম হোসেনকে জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাগজোলা খাল থেকে হাড়গোড় উদ্ধার করল সিআইডি। রবিবার সকালে সিয়ামকে নিয়ে ভাঙড় এলাকায় পৌঁছে বাগজোলা খালে নামেন সিআইডি আধিকারিকেরা। সেখান থেকে উদ্ধার হয় হাড়গোড়। তবে, সেই হাড় বাংলাদেশের সাংসদেরই কি না তা স্পষ্ট নয়। ফরেন্সিক পরীক্ষায় তা জানা যাবে। সূত্রের খবর, একটি ঝোপের পাশ থেকে হাড়গোড়গুলি উদ্ধার করা হয়।

বাংলাদেশের সাংসদ খুনে বড় সূত্র পেতে চলেছে সিআইডি। রবিবার সকালে সিয়ামকে নিয়ে ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজার থানা এলাকার কৃষ্ণমাটিতে বাগজোলা খালে নামে সিআইডি। তল্লাশির পর একটি ঝোপের পাশ থেকে বেশ কিছু হাড়গোড় উদ্ধার হয়। হাড়গুলি প্রাথমিক ভাবে দেখে অনুমান, সেগুলি মানুষেরই। যদিও তা আনোয়ারুল আজিমেরই কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। এ জন্য করতে হবে ফরেন্সিক পরীক্ষা। প্রসঙ্গত, নিউ টাউনের অভিজাত আবাসনে সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে কিলো পাঁচেক ছোট ছোট মাংসের টুকরো উদ্ধার করেছিল সিআইডি। সেই মাংস কি আনোয়ারুলেরই, তা জানতে ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। এ বার হাড়গুলিও ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে সিআইসি সূত্রে খবর। হাড়গুলি যদি সত্যিই বাংলাদেশের সাংসদের হয় তা হলে সেটা হবে এই মামলায় সিআইডি তদন্তে বড় অগ্রগতি। হাড়গুলি সত্যিই বাংলাদেশের সাংসদের কি না তা ফরেন্সিক পরীক্ষায় জানা যাবে না। এ জন্য প্রয়োজন হবে ডিএনএ প্রোফাইল করার। সে জন্য নমুনা সংগ্রহ করতে হবে আনোয়ারুলের রক্তের সম্পর্কিত কারও থেকে। সিআইডি সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া মাংসের টুকরো বা হাড়ের ডিএনএ প্রোফাইল করতে আনোয়ারুলের কন্যাকে বাংলাদেশে তলব পাঠানো হয়েছে। তিনি এসে নমুনা দেবেন বিশেষজ্ঞদের।

শুক্রবার বাংলাদেশ সীমান্তের কোনও জায়গা থেকে সিয়ামকে গ্রেফতার করে সিআইডি। শনিবার তাঁকে বারাসত আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক তাঁকে ১৪ দিন পুলিশের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। তার পর রবিবার সকালেই সিয়ামকে নিয়ে কৃষ্ণমাটিতে পৌঁছে গেলেন সিআইডি আধিকারিকেরা।

সিআইডি সূত্রে খবর, গত ১৩ মে আনোয়ারুলকে খুনের পরে নিউ টাউনের অভিজাত আবাসন থেকে সাংসদের দেহের অংশ ট্রলি সুটকেসে পুরে কৃষ্ণমাটিতে বাগজোলা খালে ফেলে দিয়েছিল সিয়াম। সঙ্গে ছিল খুনের মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত জিহাদ হাওলাদার। জিহাদকে আগেই গ্রেফতার করেছিল সিআইডি। খালে দেহ ফেলে আবার নিউ টাউনের অভিজাত আবাসনেই সিয়াম ফিরে এসেছিল বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। গত ১৬ মে বিহার হয়ে নেপালে পালিয়ে যায় সিয়াম।


জাতীয়

আরও পড়ুন